Posts

Showing posts from January, 2026

ডাঃ শফিকুর রহমান এর জীবনী

Image
    ডাঃ শফিকুর রহমান চিকিৎসক | রাজনীতিক | শিক্ষক | সমাজসেবী | মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি জন্ম ও পারিবারিক পটভূমি ডাঃ শফিকুর রহমান ৩১ অক্টোবর ১৯৫৮ সালে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ আবরু মিয়া এবং মাতার নাম খাতিবুন নেছা । তিনি পরিবারে তৃতীয় সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন; পরিবারের মোট ভাইবোন সংখ্যা চার (তিন ভাই ও এক বোন) । শিক্ষা (স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়) ডাঃ শফিকুর রহমানের শিক্ষা জীবনের ধারা নিম্নরূপ: 📌 বিদ্যালয়: বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি (SSC) পাশ করেন। 📌 কলেজ: সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি (HSC) সম্পন্ন করেন। 📌 বিশ্ববিদ্যালয়/মেডিকেল শিক্ষা: সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমান এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ) থেকে এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৮৩ সালে এবং চিকিৎসক পেশায় যুক্ত হন।  এছাড়াও তিনি মনোরোগ বিষয়ে এম.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। চিকিৎসা পেশা ডা. শফিকুর রহমান এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর থেকেই চিকিৎসা পেশায় যুক্ত রয়েছেন এবং এখনও সক্রিয়ভাবে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত আছেন। ত...

তারেক রহমান এর জীবনী

Image
তারেক রহমান বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে তারেক রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত নাম। তিনি যেমন একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি, তেমনি তার রাজনৈতিক ভূমিকা, কর্মকাণ্ড ও অবস্থান ঘিরে রয়েছে বহুমাত্রিক আলোচনা ও বিতর্ক। এই লেখায় তার জন্মপরিচয়, রাজনৈতিক উত্থান, ২০০১–২০০৬ সময়কালের ভূমিকা, ইংল্যান্ডে অবস্থান এবং বর্তমান সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছু নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে। ➤ জন্ম ও পারিবারিক পরিচয় তারেক রহমান জন্মগ্রহণ করেন ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ সালে ঢাকায়। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। এই পারিবারিক পরিচয় তার রাজনৈতিক জীবনের ক্ষেত্রে যেমন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি তাকে সবসময় বিশেষ নজরদারির মধ্যেও রেখেছে। ➤শিক্ষা তারেক রহমানের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা ঢাকায় সম্পন্ন হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (IBA)-এ অধ্যয়ন করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। তবে তার শিক্ষাগত ডিগ্রি সম্পন্ন করার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকা...

BUET ও CUET: মেধার অপচয় নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা?

Image
BUET ও CUET: মেধার অপচয় নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা? ভূমিকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CUET)—এই দুই প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় দেশের সর্বোচ্চ মেধার আঁতুড়ঘর। হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভেঙে অল্প ক’জন এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। রাষ্ট্র কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে তাদের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে তোলে এই আশায় যে, তারাই হবে দেশের প্রযুক্তিগত মুক্তির অগ্রদূত। কিন্তু কঠিন প্রশ্ন হলো—এই মেধা কি সত্যিই দেশ গঠনে ব্যবহৃত হচ্ছে, নাকি এটি একটি সুপরিকল্পিত অপচয়ের নাম? নির্মম বাস্তবতা: প্রযুক্তিতে আমরা এখনও পরনির্ভরশীল স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ আজও বাইসাইকেল, কৃষিযন্ত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম, শিল্প যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে উচ্চপ্রযুক্তির সামান্য একটি স্ক্রু পর্যন্ত বিদেশ থেকে আমদানি করতে বাধ্য। যে দেশে BUET ও CUET-এর মতো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, সেখানে নিজস্ব শিল্পযন্ত্র, পরিবহন প্রযুক্তি বা মৌলিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নজির কেন এত দুর্বল—এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। রাষ্ট্র বিনিয়োগ করে, কিন্তু প্রত্যাবর্তন পায় না সরকার একজন প্রকৌশলী তৈরি করতে ব...