Posts

Showing posts from December, 2024

শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার "মার্চ ফর ইউনিটিঃ ঐক্যের স্লোগানে উত্তাল বাংলাদেশ

Image
শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার 'মার্চ ফর ইউনিটি': ঐক্যের স্লোগানে উত্তাল বাংলাদেশ গতকাল ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত 'মার্চ ফর ইউনিটি' কর্মসূচিতে হাজারো ছাত্র-জনতা ঐক্যের প্রত্যয়ে সমবেত হয়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সমতা এবং জাতীয় ঐক্যের পক্ষে জোরালো স্লোগান দেন। এই কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তুঃ 'মার্চ ফর ইউনিটি' কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল সমাজে ক্রমবর্ধমান বিভেদ ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে ঐক্য ও সংহতির বার্তা পৌঁছে দেওয়া। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন: জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব: একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে সমাজের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে সংহতি প্রয়োজন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আহ্বান: বক্তারা বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে জাতি এগিয়ে যাবে। তরুণদের ভূমিকা: তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণঃ শহীদ মিনারে সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মানুষের ঢল নামে। “ঐক্য...

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামি রাজনীতি

Image
কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামি রাজনীতি ইসলামি রাজনীতি এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে আল্লাহর নির্দেশনা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায় এবং সমাজ পরিচালিত হয় ন্যায়, সততা এবং মানবিকতার ভিত্তিতে। এটি কেবল একটি শাসনব্যবস্থা নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা যা মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে আলোকপাত করে। কোরআনের দৃষ্টিতে রাজনীতিঃ কোরআন মানুষকে আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার আহ্বান জানায়। এতে ন্যায়বিচার, সুশাসন, এবং মানবাধিকারের প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দেন যে, তোমরা আমানত তাদের (যোগ্য) হাতে অর্পণ করো এবং যখন মানুষের মাঝে বিচার করো, তখন ন্যায় বিচার করো।” (সূরা আন-নিসা: ৫৮) এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, নেতৃত্ব এবং শাসনের মূল শর্ত হলো আমানতদারি ও ন্যায়বিচার। সুন্নাহর দৃষ্টিতে রাজনীতিঃ রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর জীবনের বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তা ইসলামের মূলনীতির ভিত্তিতে। মদিনার সনদ (মদীনাহ চার্টার) ইসলামের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে পরিচিত। এটি দেখায় যে, মুসলিম এবং অমুসলিম উভয়ের সাথেই কিভাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ...

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ

Image
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য নতুন সিলেবাস এবং নম্বর বণ্টন প্রকাশ করেছে। এই সিলেবাস অনুযায়ী নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং মানবিক বিভাগগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৩২টি বিষয়ের সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নম্বর বণ্টনের বৈশিষ্ট্য: ১. ব্যবহারিকবিহীন বিষয়গুলোতে: রচনামূলক: ৭০ নম্বর সৃজনশীল অংশ: ৫০ নম্বর সংক্ষিপ্ত উত্তর: ২০ নম্বর বহুনির্বাচনি: ৩০ নম্বর ২. ব্যবহারিকসহ বিষয়গুলোতে: তত্ত্বীয় অংশ: ৭৫ নম্বর সৃজনশীল প্রশ্ন: ৪০ নম্বর সংক্ষিপ্ত উত্তর: ১০ নম্বর বহুনির্বাচনি: ২৫ নম্বর ব্যবহারিক: ২৫ নম্বর প্রতিটি প্রশ্নের কাঠামো: সৃজনশীল প্রশ্ন: ১০ নম্বর সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: ২ নম্বর বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: ১ নম্বর নতুন শিক্ষাক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন: নবম-দশম শ্রেণিতে বিভাগের বিভাজন পূর্বে বাতিল করা হলেও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে এটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত। বিস্তারিত তথ্যের জন্য এনসিটিবির ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

নির্যাতন ও গুমের বিভীষিকা: ইমাম মেহেদী হাসান ডলার-এর অভিজ্ঞতা

Image
নির্যাতন ও গুমের বিভীষিকা: ইমাম মেহেদী হাসান ডলার-এর অভিজ্ঞতা ইমাম মেহেদী হাসান ডলার, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, তাঁর ভয়াবহ গুম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। ২০২১ সালের ৬ নভেম্বর, মেহেদী হাসানকে র‌্যাব ও ভারতীয় স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) যৌথভাবে অপহরণ করে। সে সময় তিনি সাদাপোশাকধারী তিনজন ব্যক্তির হাতে প্রাইভেটকারে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়েছিলেন, যারা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। গুমের বিভীষিকা: ১৭৪ দিন ধরে চলা নির্যাতনঃ মেহেদী হাসান জানাচ্ছেন, গুমের পর প্রথম দিকে তাকে এক ছোট, অন্ধকার ও স্যাঁতসেঁতে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল, যেখানে খাবার বা বাথরুমের সময়ও ছিল খুব সীমিত। শীতের দিনে এক টুকরা কম্বলও দেওয়া হয়নি, আর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন ছিল অবর্ণনীয়। বন্দি থাকার সময় তার নামাজ পড়তে বা অজু করার কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন তাকে শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে হত, তাও একসময় একাধিক বন্দি ছিল তার আশপাশে। সেই ঘরটিকে মেহেদী "নরকের যন্ত্রণার মতো" বলেও উল্লেখ করেছেন। ভারতের হাতে তুলে দেওয়া: একটি বিভীষিকা ১৭৪ দিন ধরে গুমের পর, মেহেদী হাসান...
Image
জামায়াত আমির: সরকারের সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময় দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের জন্য সরকারকে যৌক্তিক সময় দেয়া উচিত। বুধবার ঢাকার আইডিইবি ভবনে ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "দেশের জনগণ কিছু মৌলিক বিষয়ে সংস্কারের দাবিতে রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।" তিনি নির্বাচনের প্রসঙ্গে বলেন, "নির্বাচনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা, যেমন তিন মাস বা পাঁচ বছর, আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্ধারণ করি না। বরং আমরা সরকারকে সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময় দিতে বলেছি। উপদেষ্টারা বিবেকবান মানুষ, তারা জানেন কতটুকু সময় প্রয়োজন।" জামায়াতের আমির আরও বলেন, "সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হোক, এই লক্ষ্যেই আমরা যৌক্তিক সময় দেয়ার কথা বলেছি।" এসময় তিনি দেশের পিছিয়ে যাওয়ার জন্য স্বার্থপরতাকে দায়ী করে বলেন, "রাজনীতিতে আমরা স্লোগান দিই– 'আমার চেয়ে...

২০২৪ ভোটের অধিকার আদায়ে পাঁচই অগাস্টের মতো রাস্তায় নামার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের

Image
২০২৪ ভোটের অধিকার আদায়ে পাঁচই অগাস্টের মতো রাস্তায় নামার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের পাঁচই অগাস্টের মতো আবারও রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদরের শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান। সমাবেশে মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা কী সত্যি সত্যি পরিবর্তন চান? নাকি আবারও সেই আওয়ামী লীগের নৌকাতে ফিরে যেতে চান?” উপস্থিত নেতাকর্মীরা 'না' সূচক জবাব দিলে তিনি বলেন, “ওই যে পাঁচই অগাস্টে সবাই মিলে যেভাবে রাস্তায় নেমেছিলেন, তেমনি আবারও ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই মিলে রাস্তায় নামতে হবে। ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য, ভাতের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সামাজিক অধিকার পাওয়ার জন্য।” তিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা অনেক রক্ত দিয়েছি, অনেক কষ্ট করেছি। তাই আজকে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো শান্তিতে থাকা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা। সে নির্বাচনে আমরা ভোট দিয়ে আমাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চাই।” বিএনপি মহাসচিব আরও বলে...

গুগল ক্রোম ব্রাউজারের গতি বাড়ানোর কার্যকরী কৌশল

Image
গুগল ক্রোম ব্রাউজারের গতি বাড়ানোর কার্যকরী কৌশল গুগল ক্রোম অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। দ্রুতগতিতে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য এটি প্রায় ৬৫ শতাংশ ব্যবহারকারীর পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে অনেক সময় ব্রাউজার ধীরগতিতে কাজ করতে পারে, যা বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার কারণ হতে পারে। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করে ক্রোম ব্রাউজারের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। চলুন কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক। ১. নিয়মিত ব্রাউজার হালনাগাদ করুনঃ গুগল নিয়মিতভাবে ক্রোম ব্রাউজারের হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করে। প্রতিটি নতুন সংস্করণে নিরাপত্তা উন্নয়ন, নতুন ফিচার, এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর সুবিধা থাকে। পুরনো সংস্করণ ব্যবহার করলে ব্রাউজার ধীরগতিতে কাজ করতে পারে। তাই দ্রুত গতির অভিজ্ঞতার জন্য সবসময় ব্রাউজারের সর্বশেষ সংস্করণটি ব্যবহার করুন। ২. কুকিজ ও ক্যাশ ফাইল মুছে ফেলুনঃ ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় ক্রোম ব্রাউজারে কুকিজ ও ক্যাশ নামে অস্থায়ী ফাইল জমা হয়। সময়ের সঙ্গে এগুলো জমে ব্রাউজারের গতি কমিয়ে দেয়। নিয়মিত এই ফাইলগুলো মুছে ফেলে ব্রাউজারকে দ্রুততর করা সম্ভব। যেভাবে কুকিজ ও ক্যাশ মুছবেন: ক্রোম ব্রাউজারের মেনুতে য...

চাষী - রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী

Image
  চাষী রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা, দেশ মাতারই মুক্তিকামী, দেশের সে যে আশা। দধীচি কি তাহার চেয়ে সাধক ছিল বড়? পুণ্য অত হবে নাক সব করিলে জড়। মুক্তিকামী মহাসাধক মুক্ত করে দেশ, সবারই সে অন্ন জোগায় নাইক গর্ব লেশ। ব্রত তাহার পরের হিত, সুখ নাহি চায় নিজে, রৌদ্র দাহে শুকায় তনু, মেঘের জলে ভিজে। আমার দেশের মাটির ছেলে, নমি বারংবার, তোমায় দেখে চূর্ণ হউক সবার অহংকার। আপনার দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত হোক এই অনবদ্য কবিতার ছন্দে। #কৃষক #চাষা #দেশপ্রেম #বাংলারমাটি

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: সংকট উত্তরণের পথে কী প্রয়োজন?

Image
দীর্ঘদিনের অদূরদর্শী অর্থনৈতিক নীতি, সুশাসনের অভাব, চরম দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার, এবং স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পর, বাংলাদেশ এখন এক চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। ছাত্র আন্দোলন ও গণজাগরণের তোপের মুখে ক্ষমতাসীন সরকার দেশত্যাগ করলেও, তাদের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এই প্রবন্ধে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং সংকট উত্তরণের সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ১. আর্থিক খাতের দুর্বলতা ও ব্যাংকিং সংকট বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে এক গভীর সংকটে নিমজ্জিত। সুশাসনের অভাব, ঋণ খেলাপিদের জন্য শিথিল নীতি, এবং আর্থিক খাতে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করেছে। ব্যাংকগুলোতে আমানতকারীদের টাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এছাড়া, দেশের শেয়ারবাজার থেকে নিয়মিতভাবে বিশাল অঙ্কের অর্থ লুটপাট হয়েছে, যার ফলে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং শক্তিশালী আর্থিক তদারকির মাধ্যমে এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে। ২. উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়...

উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ আর নেই

Image
প্রবীণ আইনজ্ঞ ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ আর নেই প্রকাশের তারিখ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং প্রবীণ আইনজ্ঞ এ এফ হাসান আরিফ আর নেই। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. আবেদ চৌধুরী। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনঃ চলতি বছরের ৮ আগস্ট এ এফ হাসান আরিফ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। একই দিনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তিনি বিমান ও পর্যটন, ভূমি এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল থেকে উপদেষ্টার দায়িত্বঃ এ এফ হাসান আরিফ ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক, ভূমি এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার দীর...

কেরানীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকে সাহসী অভিযান, আত্মসমর্পণ করেছে তিন ডাকাত

Image
কেরানীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকে সাহসী অভিযান, আত্মসমর্পণ করেছে তিন ডাকাত কেরানীগঞ্জে আজ (১৯ ডিসেম্বর) রূপালী ব্যাংকের একটি শাখায় ঘটে গেলো চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা। দুপুর ২টার দিকে তিনজন সশস্ত্র ডাকাত ব্যাংকে ঢুকে ব্যাংক কর্মকর্তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। খবর ছড়িয়ে পড়লে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ স্থানীয় জনগণ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে ব্যাংকের চারপাশ ঘিরে ফেলে। চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়, যাতে ডাকাতরা পালাতে না পারে। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার টানটান উত্তেজনার পর বিকাল ৫:৩০-এ তিনজন ডাকাত আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত কৌশলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ঘটনায় কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা, কর্মচারী বা গ্রাহক আহত হয়নি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পেছনের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানা হবে। এই সাহসী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি চলছে। সংবাদটি আরও আপডেট করা হবে।

কোরআন ও হাদিসের আলোকে পিতামাতার দায়িত্ব ও কর্তব্য

Image
কোরআন ও হাদিসের আলোকে পিতামাতার দায়িত্ব ও কর্তব্য ইসলামে পিতামাতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের প্রতি তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পিতামাতা যেমন সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল, তেমনি সন্তানদেরও পিতামাতার প্রতি রয়েছে কিছু কর্তব্য। এই প্রবন্ধে আমরা কোরআন ও হাদিসের আলোকে পিতামাতার দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করব। পিতামাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ পিতামাতার প্রধান দায়িত্ব হলো সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করা, ঈমান ও ইসলামের শিক্ষা দেওয়া এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ১. সন্তানকে ঈমান ও ইসলামের শিক্ষা দেওয়া পিতামাতার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব সন্তানকে ঈমান ও ইসলামের শিক্ষা দেওয়া। আল্লাহ তায়ালা বলেন: "হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে সেই আগুন থেকে রক্ষা করো, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর।" (সূরা আত-তাহরিম, আয়াত: ৬) এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে, পিতামাতার দায়িত্ব সন্তানদের ইসলামি জ্ঞান প্রদান করা, আল্লাহর ভয় এবং জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্ক...

ড. মুহাম্মদ ইউনুস: আবারও নোবেল পুরস্কারের পথে?

Image
ড. মুহাম্মদ ইউনুস: আবারও নোবেল পুরস্কারের পথে? ড. মুহাম্মদ ইউনুস — যিনি “ড. ইউনিভার্স” নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত — তাঁর উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর মাধ্যমে মানব কল্যাণে অনন্য অবদান রেখে চলেছেন। ২০০৬ সালে মাইক্রোক্রেডিট ধারণার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়া ড. ইউনুস এবার নতুন আরেকটি ব্যতিক্রমী ধারণা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তিনি তাঁর ২০১৭ সালে প্রকাশিত বই “A World of Three Zeros” -এ যে থিয়োরি উত্থাপন করেছেন, তা বিশ্বব্যাপী বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই থিয়োরি তিনটি মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যকে সামনে রেখে তৈরি ১. Zero Poverty (দারিদ্র্যের অবসান) ২.  Zero Unemployment (বেকারত্বের অবসান) ৩. Zero Net Carbon Emissions (শূন্য কার্বন নিঃসরণ) বিশ্বের বর্তমান সংকটগুলো সমাধানে ড. ইউনুসের এই থিয়োরি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই থিয়োরি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ড. ইউনুস আবারও নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হতে পারেন। ১. Zero Poverty (দারিদ্র্যের অবসান) ড. ইউনুসের মাইক্রোক্রেডিট ধারণা ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে ছোট ঋণ কীভাবে দরিদ্র মানুষকে অর্থনৈতিকভ...

মা – প্রজাতি ভেদে বদলায় না তার ভালোবাসা

Image
  মা – প্রজাতি ভেদে বদলায় না তার ভালোবাসা ঘরের ভেতর ঘুরে বেড়াচ্ছে ভিমরুলের মতো এক ধরনের পোকা। অদ্ভুত চঞ্চল, কখনো দেয়ালের এক কোণে কী যেন রেখে আবার উধাও। কয়েকদিন ধরে পোকাটির গতিবিধি লক্ষ করলাম। দেখতে পেলাম, দেয়ালের সেই কোণে জমছে এক স্তূপ কাদা। এরপর পোকাটিকে আরও ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলাম। মুখে ছোট্ট এক ফোঁটা কাদা নিয়ে আসে আর দেয়ালে জমা করে। দিনের পর দিন একই কাজ করে সেই কাদা একসময় একগুঁটে হয়ে বাসার মতো কিছুতে পরিণত হয়। গ্রামের লোকেরা এই পোকাকে বলে "কুমরে পোকা"। নামটা এসেছে সম্ভবত কাদার সঙ্গে এর সম্পর্কের কারণে। তবে এরা যে সে কাদা দিয়ে নয়, বরং বেছে বেছে উপযুক্ত কাদা খুঁজে আনে। সেই কাদায় নিজের লালা মিশিয়ে আঠালো করে নেয় এবং ঘর তৈরি করে। কাদার স্তূপে লুকানো রহস্যঃ পোকাটির তৈরি বাসার ভেতরটা একেবারে ফাঁপা। বাইরের দেয়ালটা এবড়ো-থেবড়ো হলেও ভেতরটা মসৃণ। কিন্তু বাইরে থেকে কোনো দরজা বা প্রবেশপথ খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন প্রশ্ন জাগে — পোকাটি কীভাবে ভেতরে ঢোকে? ভেতরের পোকাগুলো কীভাবে শ্বাস নেয়? এই প্রশ্নের উত্তর জানা গেল একটু বড় হয়ে। আসলে, কুমরে পোকা বাসা বানানোর সময় দেয়ালের চারপাশে অসংখ্য ...

মহান বিজয় দিবস: ইতিহাস, ঐতিহ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা ও আমাদের করণীয়

Image
মহান বিজয় দিবস: ইতিহাস, ঐতিহ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা ও আমাদের করণীয় প্রস্তাবনাঃ বিজয় দিবস বাঙালি জাতির গৌরবের প্রতীক, স্বাধীনতার বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্ত। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। এ দিনটি শুধু ভূখণ্ডের স্বাধীনতা নয়, আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত বিজয়ের দিন। বিজয় দিবসের ইতিহাসঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু হয় ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী এদেশে চালায় বর্বর গণহত্যা। ৯ মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ মানুষ। প্রায় দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার শহীদের রক্ত এবং প্রায় ত্রিশ হাজার মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই স্বাধীনতা। মিত্র বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এই ঐতিহাসিক দিনটি চিরদিন বাঙালি জাতির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকাঃ বাঙালির মুক্তি সংগ্...

মুক্তিযুদ্ধ থেকে ছাত্র আন্দোলন ২০২৪: স্বাধীনতার ধারাবাহিকতা ও বিজয়ের গৌরব

Image
মুক্তিযুদ্ধ থেকে ছাত্র আন্দোলন ২০২৪: স্বাধীনতার ধারাবাহিকতা ও বিজয়ের গৌরব বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এক গৌরবময় অধ্যায়। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পর, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ আমরা অর্জন করি চূড়ান্ত বিজয়। এর ধারাবাহিকতায়, দেশের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, চৈরচার (দুর্নীতি ও বৈষম্যের) বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতার চেতনারই ধারাবাহিক বহিঃপ্রকাশ। এই পোস্টে আমরা মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান প্রেক্ষাপট পর্যন্ত ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরব। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিঃ ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল—পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)। পশ্চিম পাকিস্তান শুরু থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যমূলক আচরণ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি ও ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের অধিকার আদায়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক শাসক...

একটি মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার কৌশল: বাংলাদেশ পুলিশের করণীয়

Image
বাংলাদেশে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করতে হলে, পুলিশ বাহিনীর গঠন, আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। পুলিশের কাজ হওয়া উচিত জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। তবে অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে হয়রানি, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ শোনা যায়। এ অবস্থার পরিবর্তন করে পুলিশকে একটি "জনবান্ধব বাহিনী" হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান চ্যালেঞ্জঃ হয়রানি ও দুর্নীতি : পুলিশ কর্তৃক সাধারণ মানুষের ওপর হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ সাধারণ ঘটনা। বিশ্বাসের ঘাটতি : জনগণের একটি বড় অংশ পুলিশের প্রতি আস্থা রাখতে পারে না। সীমিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার অভাব : জনবান্ধব আচরণ ও মানসিক প্রশিক্ষণ পর্যাপ্ত নয়। অতিরিক্ত কাজের চাপ : অপর্যাপ্ত জনবল এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা না থাকায় পুলিশের কাজের চাপ বেশি। তদবির ও রাজনৈতিক প্রভাব : পুলিশের কাজে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ বাহিনীর সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপঃ ১. জনবান্ধব আচরণ ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণঃ আচরণগত...

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপ ডাউন: বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি

Image
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপ ডাউন: বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্বজুড়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা প্রবেশ সমস্যায় পড়েন। জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অ্যাক্সেস করতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েন লাখো ব্যবহারকারী। বিশ্বব্যাপী ১৩ হাজারেরও বেশি ব্যবহারকারী ফেসবুকে লগইন করতে সমস্যায় পড়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স । এ ছাড়া, ৬,৬০০-এর বেশি ব্যবহারকারী ইনস্টাগ্রামে অ্যাক্সেসে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে, মেটার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজিং পরিষেবা হোয়াটসঅ্যাপেও ২,৩০০ ব্যবহারকারী সমস্যার অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছে ডাউনডিটেক্টর ডটকম । ডাউনডিটেক্টরের তথ্যে দেখা যায়, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রামের পরিষেবাগুলোতে বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছে। প্ল্যাটফর্মগুলোতে তীব্র স্পাইক লক্ষ্য করা গেছে, যা ইঙ্গিত করে যে এটি একটি বৃহৎ প্রযুক্তিগত সমস্যা। ফেসবুকে প্রবেশের চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীদের একটি বার্তা দেখানো হচ্ছে, যেখানে লেখা, "আমরা যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করার জন্য কাজ করছি।...

ট্রুং মাই লানের উত্থান ও পতন: ভিয়েতনামের অন্যতম বিতর্কিত অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির গল্প থেকে কি বাংলাদেশ শিক্ষা নিয়ে মডেল স্থাপন করবে?

Image
  ট্রুং মাই লানের উত্থান ও পতন: ভিয়েতনামের অন্যতম বিতর্কিত অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির গল্প থেকে কি বাংলাদেশ শিক্ষা নিয়ে মডেল স্থাপন করবে? ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক ইতিহাসে ট্রুং মাই লানের নামটি একদিকে সফল উদ্যোক্তার প্রতীক, আবার অন্যদিকে আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রতিচ্ছবি। প্রসাধনী বিক্রেতা থেকে দেশের অন্যতম শীর্ষ ধনী হওয়া এবং পরে অর্থ আত্মসাতের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া পর্যন্ত তার গল্প অনেকটা সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায়। উত্থানের গল্পঃ একজন চীনা-ভিয়েতনামি পরিবারে জন্ম নেয়া ট্রুং মাই লান প্রথম জীবনে মায়ের সঙ্গে হো চি মিন শহরের প্রাচীন মার্কেটে প্রসাধনী বিক্রি করতেন। ১৯৮৬ সালে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট পার্টি অর্থনৈতিক সংস্কারের উদ্যোগ নিলে, তিনি ভূমি ও সম্পত্তি কেনাবেচায় মনোনিবেশ করেন। নব্বইয়ের দশকের মধ্যে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯২ সালে ট্রুং হংকংয়ের বিনিয়োগকারী এরিক চুয়ের সঙ্গে বিয়ে করেন এবং একই বছর প্রতিষ্ঠা করেন আবাসন কোম্পানি "ভ্যান থিন ফ্যাথ হোল্ডিংস"। ২০১১ সালে তিনি হয়ে ওঠেন হো চি মিন সিটির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। এ বছর তিনি সায়গন কমার্শিয়াল ব্যাংকে...

জরিপের ফলাফলে চাকরি হারানো! "মানসিক চাপে আছেন?" ‘হ্যাঁ’ বলার পর চাকরি গেল শতাধিক কর্মীর!

Image
জরিপের ফলাফলে চাকরি হারানো! "মানসিক চাপে আছেন?" ‘হ্যাঁ’ বলার পর চাকরি গেল শতাধিক কর্মীর! বর্তমান কর্মজীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হল মানসিক চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ মোকাবিলার জন্য অনেক সংস্থা বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। তবে, ভারতের নয়ডা ভিত্তিক বিউটি সার্ভিস অ্যাপ "ইয়েস ম্যাডাম" সম্প্রতি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা অনেকের কাছে বিতর্কিত এবং অমানবিক বলে মনে হয়েছে।   স্ট্রেস সার্ভে থেকে চাকরিচ্যুতি — ঘটনা কী? সম্প্রতি "ইয়েস ম্যাডাম" তার কর্মীদের জন্য একটি মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ পরিচালনা করে। এই সার্ভের উদ্দেশ্য ছিল কর্মীদের মানসিক চাপের মাত্রা নির্ধারণ করা। তবে, কর্মীদের কাছে এটি ছিল একটি স্বাভাবিক কর্মপরিকল্পনার অংশ।  কিন্তু, এই সার্ভের ফলাফল প্রকাশের পর, একের পর এক কর্মীদের চাকরিচ্যুত করার ঘোষণা আসে। প্রতিবেদনে জানা যায়, শতাধিক কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, যেসব কর্মী নিজেদের মানসিক চাপে আছেন বলে সার্ভেতে উল্লেখ করেছিলেন, তারাই বরখাস্তের তালিকায় পড়েন।  কীভাবে জানানো হয় বরখাস্তের কথা? ইয়েস ম্যাডামের এইচআর ম্যানেজার থেকে একটি ই-মেই...

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে অভিনন্দন এবং তাদের জন্য রইল শুভকামনা!

Image
  বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে অভিনন্দন এবং তাদের জন্য রইল শুভকামনা! আজ বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে আরও একটি গৌরবময় অধ্যায় রচিত হলো। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। অনুর্ধ ১৯  Year Host 2018 Bangladesh India won by 144 runs 2019 Sri Lanka India won by 5 runs 2021 UAE India won by 9 wickets (D/L) 2023 2024 UAE UAE Bangladesh won by 195 runs Bangladesh won by 59 runs ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সাহসী পারফরম্যান্স ছিল চোখ ধাঁধানো। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—সব বিভাগেই তারা দেখিয়েছে চমৎকার দলগত সমন্বয়। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন আত্মবিশ্বাসী ও দাপুটে জয় গোটা দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের গর্বিত করেছে। বিজয়ের পর খেলোয়াড়দের মাঠে সিজদাহ দেওয়ার দৃশ্যটি যেন পুরো জাতির আবেগকে আরও গভীর করে তুলেছিল। তাদের এই বিনয়ী উদযাপন আমাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এই অর্জন শুধু একটি শিরোপা জেতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের যুব ক্রিকেটের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং কোচিং স্টাফদের এই জয় অর্জনে অবদান অ...

ভাওতাবাজি এবং আমাদের সংযম: চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অবস্থান

Image
ভাওতাবাজি এবং আমাদের সংযম: চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কের অবনতি কখনোই কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। বিশেষত প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনা দুই দেশেরই ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আমাদের নেতৃত্বের দূরদর্শিতা ও দেশের জনগণের সংযমের কারণে আমরা সংকটেও স্থিতিশীল থেকেছি। বাণিজ্যিক বাস্তবতা বন্ধুদেশের সাথে আমাদের অর্থনৈতিক লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ হলেও একপাক্ষিক নয়। বাংলাদেশের জন্য বন্ধুদেশ ডলার আয়ের শীর্ষ উৎস নয়। অন্যদিকে, আমাদের দেশ তাদের জন্য একটি প্রধান বাজার এবং আয়ের উৎস। বন্ধুদেশে বাংলাদেশ থেকে বছরে ১৬,৯৮২ কোটি টাকার রপ্তানি হয়, বিপরীতে আমাদের ৯৪৩৩ কোটি টাকার আমদানি । চোরাইপথে অন্তত ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আসে, যা সম্পর্ক অবনতি হলে বন্ধুদেশের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হবে। খাদ্যপণ্য, কাঁচামাল ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিকল্প উৎস যেমন মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তান থেকে ইতোমধ্যেই আমদানি শুরু হয়েছে। বয়কটের বাস্তবতা কিছু স্থানীয় সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশিদের প্রতি বয়কটের ডাক দিলেও তা কার্যত নিজ দেশের ক্ষতির দিকে ধাবিত করছে। ত্রি...