গভীর নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম শুরু, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

গভীর নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম শুরু, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা ঢাকা, ২৯ মে ২০২৫ – বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটির কারণে দেশের অন্তত ১৪ জেলার নিম্নাঞ্চলে ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলার মধ্যে রয়েছে খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি উপকূলবর্তী এলাকা।  আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে উপকূলীয় এলাকায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।  মানুষের অভিমত ও স্থানীয় পরিস্থিতি পটুয়াখালীর গলাচিপার বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে জানান, "দুপুরের পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলছে। আমরা পরিবার নিয়ে আগে থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছি।"  বরগুনা সদর উপজেলার এক বাসিন্দা শাহিদা খাতুন বলেন, "গত কয়েক দিনের মধ্যে নদীর পানি অনেক বেড়ে গেছে। আজ দুপুর থেকে বৃষ্টি ও বাতাসে আমাদের ঘরবাড়ির চারপাশে পানি উঠছে। আমরা আতঙ্কে আছি।"  প্রশাসনের প্রস্তুতি ও সতর্কতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো নৌকা ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত আছে।  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল নাগাদ স্থলভাগ অতিক্রম করবে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাবে। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবারও বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।  বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সব নদীবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি রয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতামত আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সমুদ্রের জোয়ারের সাথে এই জলোচ্ছ্বাস মিলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, "স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে আমরা সতর্ক থাকতে বলছি। বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকাগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বলা হয়েছে।"


গভীর নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম শুরু, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

ঢাকা, ২৯ মে ২০২৫ – বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটির কারণে দেশের অন্তত ১৪ জেলার নিম্নাঞ্চলে ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলার মধ্যে রয়েছে খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি উপকূলবর্তী এলাকা।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে উপকূলীয় এলাকায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

গভীর নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম শুরু, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা ঢাকা, ২৯ মে ২০২৫ – বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটির কারণে দেশের অন্তত ১৪ জেলার নিম্নাঞ্চলে ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলার মধ্যে রয়েছে খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি উপকূলবর্তী এলাকা।  আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে উপকূলীয় এলাকায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।  মানুষের অভিমত ও স্থানীয় পরিস্থিতি পটুয়াখালীর গলাচিপার বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে জানান, "দুপুরের পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলছে। আমরা পরিবার নিয়ে আগে থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছি।"  বরগুনা সদর উপজেলার এক বাসিন্দা শাহিদা খাতুন বলেন, "গত কয়েক দিনের মধ্যে নদীর পানি অনেক বেড়ে গেছে। আজ দুপুর থেকে বৃষ্টি ও বাতাসে আমাদের ঘরবাড়ির চারপাশে পানি উঠছে। আমরা আতঙ্কে আছি।"  প্রশাসনের প্রস্তুতি ও সতর্কতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো নৌকা ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত আছে।  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল নাগাদ স্থলভাগ অতিক্রম করবে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাবে। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবারও বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।  বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সব নদীবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি রয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতামত আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সমুদ্রের জোয়ারের সাথে এই জলোচ্ছ্বাস মিলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, "স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে আমরা সতর্ক থাকতে বলছি। বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকাগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বলা হয়েছে।"


মানুষের অভিমত ও স্থানীয় পরিস্থিতি

পটুয়াখালীর গলাচিপার বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে জানান, "দুপুরের পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলছে। আমরা পরিবার নিয়ে আগে থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছি।"

বরগুনা সদর উপজেলার এক বাসিন্দা শাহিদা খাতুন বলেন, "গত কয়েক দিনের মধ্যে নদীর পানি অনেক বেড়ে গেছে। আজ দুপুর থেকে বৃষ্টি ও বাতাসে আমাদের ঘরবাড়ির চারপাশে পানি উঠছে। আমরা আতঙ্কে আছি।"

প্রশাসনের প্রস্তুতি ও সতর্কতা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো নৌকা ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত আছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল নাগাদ স্থলভাগ অতিক্রম করবে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাবে। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবারও বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সব নদীবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সমুদ্রের জোয়ারের সাথে এই জলোচ্ছ্বাস মিলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, "স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে আমরা সতর্ক থাকতে বলছি। বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকাগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বলা হয়েছে।"

গভীর নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম শুরু, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা ঢাকা, ২৯ মে ২০২৫ – বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটির কারণে দেশের অন্তত ১৪ জেলার নিম্নাঞ্চলে ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলার মধ্যে রয়েছে খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি উপকূলবর্তী এলাকা।  আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে উপকূলীয় এলাকায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।  মানুষের অভিমত ও স্থানীয় পরিস্থিতি পটুয়াখালীর গলাচিপার বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে জানান, "দুপুরের পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলছে। আমরা পরিবার নিয়ে আগে থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছি।"  বরগুনা সদর উপজেলার এক বাসিন্দা শাহিদা খাতুন বলেন, "গত কয়েক দিনের মধ্যে নদীর পানি অনেক বেড়ে গেছে। আজ দুপুর থেকে বৃষ্টি ও বাতাসে আমাদের ঘরবাড়ির চারপাশে পানি উঠছে। আমরা আতঙ্কে আছি।"  প্রশাসনের প্রস্তুতি ও সতর্কতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো নৌকা ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত আছে।  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল নাগাদ স্থলভাগ অতিক্রম করবে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাবে। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবারও বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।  বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সব নদীবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি রয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতামত আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সমুদ্রের জোয়ারের সাথে এই জলোচ্ছ্বাস মিলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, "স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে আমরা সতর্ক থাকতে বলছি। বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকাগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বলা হয়েছে।"


Comments

Popular posts from this blog

কাশ্মীরের ইতিহাস

বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ ও সমৃদ্ধির ইতিহাস

মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা