আবারও রণক্ষেত্র শাহবাগ

 শাহবাগে আবারও রণক্ষেত্র: ইনকিলাব মঞ্চের মিছিল, পুলিশের বাধা ও সংঘর্ষ

শাহবাগে আবারও রণক্ষেত্র: ইনকিলাব মঞ্চের মিছিল, পুলিশের বাধা ও সংঘর্ষ      ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (সংপত্র): ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে পুনরায় শাহবাগ মোড় থেকে যমুনা, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে মিছিল করতে গেলে পুলিশ তাদের পথ বাধা প্রদান করে। পুলিশের বাধার মুখে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং শাহবাগ এলাকা আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।   বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রজু ভাস্কর্য থেকে যাত্রা শুরু করে মিছিলটি। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে এগোতে গেলে পুলিশের ব্যারিকেডে মুখোমুখি হয় আন্দোলনকারীরা। প্রতিরোধ পেরিয়ে এগোতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস এবং ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করে। এতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে।   পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় নেতাকর্মীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ঘটনাস্থলেই শাহবাগ মোড়ের বেশ কিছু রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং যান চলাচল স্থবির হয়ে যায়। �  আহত ও চিকিৎসা  সংঘর্ষের সময়ে প্রায় ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আহতদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার, এবং অন্যান্য অনেকে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে কোনো গুলির ব্যবহার হয়নি, আহতদের বেশিরভাগই লাঠি-চার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতের কারণে হাসপাতালে আনা হয়েছে।  অবরোধ ও পরিস্থিতি  পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই শাহবাগ মোড়ে প্রবেশ করে মঞ্চের নেতাকর্মীরা এবং মোড়টি দীর্ঘ সময় ব্লক করে রাখে, এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয় এবং যানজট সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা ‘হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘গোলামী না আজাদি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।   সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাখ্যা  সরকারের পক্ষ থেকে আজ সন্ধ্যায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, পুলিশ কোনো “ঘাতক অস্ত্র” ব্যবহার করেনি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যমুনা ও এর আশপাশে সব ধরনের সমাবেশ, মিছিল ও আবেগঘন কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকায় পুলিশ বাধ্য হয়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।   পটভূমি  ইনকিলাব মঞ্চ দীর্ঘদিন ধরেই শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার ও একটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে আসছে। গত কয়েক দিন ধরে তারা শাহবাগে সীমিত অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ চালিয়ে এসেছে এবং আজ তা বড় ধরনের সংঘর্ষের রূপ নিয়েছে।


ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (সংপত্র): ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে পুনরায় শাহবাগ মোড় থেকে যমুনা, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে মিছিল করতে গেলে পুলিশ তাদের পথ বাধা প্রদান করে। পুলিশের বাধার মুখে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং শাহবাগ এলাকা আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। 

বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রজু ভাস্কর্য থেকে যাত্রা শুরু করে মিছিলটি। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে এগোতে গেলে পুলিশের ব্যারিকেডে মুখোমুখি হয় আন্দোলনকারীরা। প্রতিরোধ পেরিয়ে এগোতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস এবং ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করে। এতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে। 

পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় নেতাকর্মীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ঘটনাস্থলেই শাহবাগ মোড়ের বেশ কিছু রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং যান চলাচল স্থবির হয়ে যায়। 

আহত ও চিকিৎসা

সংঘর্ষের সময়ে প্রায় ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আহতদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার, এবং অন্যান্য অনেকে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে কোনো গুলির ব্যবহার হয়নি, আহতদের বেশিরভাগই লাঠি-চার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতের কারণে হাসপাতালে আনা হয়েছে।

অবরোধ ও পরিস্থিতি

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই শাহবাগ মোড়ে প্রবেশ করে মঞ্চের নেতাকর্মীরা এবং মোড়টি দীর্ঘ সময় ব্লক করে রাখে, এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয় এবং যানজট সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা ‘হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘গোলামী না আজাদি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। 

সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাখ্যা

সরকারের পক্ষ থেকে আজ সন্ধ্যায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, পুলিশ কোনো “ঘাতক অস্ত্র” ব্যবহার করেনি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যমুনা ও এর আশপাশে সব ধরনের সমাবেশ, মিছিল ও আবেগঘন কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকায় পুলিশ বাধ্য হয়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। 

পটভূমি

ইনকিলাব মঞ্চ দীর্ঘদিন ধরেই শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার ও একটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে আসছে। গত কয়েক দিন ধরে তারা শাহবাগে সীমিত অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ চালিয়ে এসেছে এবং আজ তা বড় ধরনের সংঘর্ষের রূপ নিয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

কাশ্মীরের ইতিহাস

বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ ও সমৃদ্ধির ইতিহাস

মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা